
Genetic infertility :
বংশগত বন্ধ্যাত্ব :
জেনেটিক ইনফার্টিলিটি বা জিনগত বন্ধ্যাত্ব হল এমন একটি অবস্থা যেখানে বংশগত কারণ যেমন ক্রোমোজোমের অস্বাভাবিকতা, জিনগত ত্রুটি বা উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জেনেটিক বৈশিষ্ট্যগুলো গর্ভধারণের ক্ষমতাকে বাধা দেয়। এটি পুরুষ ও মহিলা উভয়ের বন্ধ্যাত্বের একটি কারণ হতে পারে, যেখানে শুক্রাণুর সংখ্যা, গুণমান বা ডিম্বাণু তৈরির প্রক্রিয়ায় সমস্যা দেখা যায়।
* জেনেটিক বন্ধ্যাত্বের কারণ:
. ক্রোমোজোমাল অস্বাভাবিকতা : কিছু ক্ষেত্রে, ক্রোমোজোমের সংখ্যাগত বা কাঠামোগত ত্রুটি বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে।
. জিনগত ত্রুটি : নির্দিষ্ট জিনগত অস্বাভাবিকতা, যেমন Klinefelter syndrome (পুরুষদের ক্ষেত্রে) বা Turner syndrome (মহিলাদের ক্ষেত্রে), প্রজনন অঙ্গের সঠিক বিকাশে বাধা সৃষ্টি করতে পারে এবং বন্ধ্যাত্বের জন্ম দিতে পারে।
. শুক্রাণু উৎপাদন ও গুণমানে সমস্যা : পুরুষদের ক্ষেত্রে, জিনগত কারণ শুক্রাণু তৈরি, সংখ্যা বা গুণমানকে প্রভাবিত করতে পারে, যা পুরুষ বন্ধ্যাত্বের কারণ হয়।
. হরমোনজনিত অস্বাভাবিকতা : জিনগত কারণে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে, যা ডিম্বস্ফোটন বা শুক্রাণু উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করে ।
* লক্ষণ–
জেনেটিক বন্ধ্যাত্বের কোনো নির্দিষ্ট লক্ষণ নাও থাকতে পারে, তবে নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারে :
. মহিলাদের ক্ষেত্রে : মাসিক চক্র অনিয়মিত হওয়া বা অনুপস্থিত থাকা। পেলভিক বা পেটে ব্যাথা , ভারী পিরিয়ড ।
. পুরুষদের ক্ষেত্রে : হরমোনজনিত সমস্যা, যৌন কার্যকারিতায় পরিবর্তন , অন্তকোষে ব্যথা বা ফোলা , যৌন ক্রিয়ায় সমস্যা ।
যদি কোন দম্পতি এক বছরের বেশি সময় ধরে ঘন ঘন এবং অরক্ষিত যৌন মিলন করার পরেও গর্ভধারণে ব্যর্থ হন , তাহলে তাদের একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত । এবং সেক্ষেত্রে আপনাকে সাহায্য করতে পারে আমাদের একমাত্র চিকিৎসা The womb fertility treatment , যেখানে আপনি কোন ওষুধ , ইনজেকশন ছাড়াই 100% গ্যারান্টি সহ 3 – 6 মাসের মধ্যে আপনি রেজাল্ট পাবেন , সেটাও কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই ।

