
Erectile dysfunction ( পুরুষত্বহীনতা ) কি –
পুরুষত্বহীনতা বা ইরেক্টাইল ডিসফাংশন ঘটে যখন একজন পুরুষ যৌন মিলনের জন্য লিঙ্গের উত্তান অর্জন বা বজায় রাখতে সক্ষম হয়না।যদিও একজন পুরুষের জন্য সময়ে সময়ে ইরেকশন কিছু সমস্যা হওয়া সাধারণ ব্যাপার, তবে ইরেক্টাইল ডিসফাংশন যা নিয়মিত হয় তা স্বাভাবিক নয় এবং এর চিকিৎসা করা প্রয়োজন।ইরেক্টাইল ডিসফাংশন একটি সাধারণ সমস্যা যা অনেক কারণে হতে পারে যেমন লিঙ্গে অপর্যাপ্ত রক্তপ্রবাহ, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, ধূমপান, অ্যালকোহল সেবন, মানসিক চাপ ইত্যাদি। অনেক সময় অনেক পুরুষের ইরেক্টাইল ডিসফাংশন সম্পর্কে কথা বলা বিব্রতকর মনে হয়। কিন্তু সময়মতো নির্ণয়ের সাথে এবং চিকিৎসায় ইরেক্টাইল ডিসফাংশন সম্পূর্ন রূপে সুস্থ হয়ে যেতে পারে।
ইরেক্টাইল ডিসফাংশন এর কারণ –
ইরেকশন একটি নিউরোভাসকুলার প্রক্রিয়া যার জন্য লিঙ্গে পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ এবং স্নায়ু সরবরাহ প্রয়োজন। যৌন উত্তেজনার সময় স্নায়ুগুলো সংকেত পাঠায় যা লিঙ্গ রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে। পুরুষাঙ্গের রক্তপ্রবাহ যে কোন সীমাবদ্ধতা বা স্নায়ুর প্রতিবন্ধকতা ইরেক্টাইল ডিসফাংশনএর কারণ হতে পারে।যেমন –
১. সাধারণ রোগ :
• উচ্চ রক্তচাপ : উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপাটেনশন ধমনী এবং সমস্ত সংবহন প্রণালি ব্যবস্থার ক্ষতিসাধন করে। রক্তপ্রবাহ অক্ষম হলে সঠিক লিঙ্গ ঋজুকরন সম্ভব হয়না , যা ইরেক্টাইল ডিসফাংশন নামে পরিচিত।
• উচ্চরক্তে শর্করা ডায়াবেটিস : ডায়াবেটিস নিউরোপ্যাথি একটি রোগ।যেটি ডায়াবেটিস কারণে সৃষ্ট, এটি ইরেক্টাইল ডিসফাংশনএর প্রাথমিক স্নায়বিক কারন। অস্ত্রপ্রচার এর কারনে স্নায়ুর ক্ষতিও ইরেক্টাইল ডিসফাংশনএর কারণ হতে পারে।
• আর্থ্রোস্কেলরোসিস : একটি রোগ যা প্রায়শই ইরেক্টাইল ডিসফাংশন রোগটি সংক্রমন করে। এই রোগ সাধারণ ধূমপান, ডায়াবেটিসের কারণে সৃষ্টি হয়। লিঙ্গ থেকে ধমনিগুলি সংকীর্ণ হয় ওঠে এবং মূত্র প্রবাহে সমস্যা দেখা যায়, যায় ফলে ইরেক্টাইল ডিসফাংশন রোগটি দেখা যায়।
• বয়স : ৬৫ এর বেশি বয়সী পুরুষদের প্রায় অর্ধেক এবং ৪০ বছরের বেশি বয়সী কিছু পুরুষের সাধারণত অনুপ্রবেশের জন্য পর্যাপ্ত ইরেক্টাইল ডিসফাংশন থাকতে পারে।
• লিঙ্গে ইনজেকশন দেওয়া ওষুধের সংমিশ্রণ এবং লিঙ্গ কে সংকুচিত করে স্তন্যদান প্রয়োগ করে যন্ত্র গুলি কার্যকর এবং ওষুধের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। যার ফলে ইরেক্টাইল ডিসফাংশন হতে পারে।
• কার্ডিওভাসিকুলার রোগ আছে।
• উচ্চ কোলেস্টরল থাকার কারণে, আটকে থাকা রক্তনালী গুলি প্রভাব ফেলে।
• ড্রাগ ব্যবহার করা বা অত্যধিক অ্যালকোহল পান করা কারণেও হতে পারে।
• মোটা হওয়া ।
• ব্যায়ামের অভাব।
২. শারীরিক কারণ :
• লিঙ্গে যখন রক্ত প্রবাহিত হয় না অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা লিঙ্গে রক্ত প্রবাহ কমাতে পারে। যেমন – শক্ত ধমনী, হৃদ রোগ, উচ্চ রক্তে শর্করা এবং ধূমপান।
• লিঙ্গ একটি উত্থানের সময় রক্ত আটকাতে পারে না, যদি রক্ত লিঙ্গে না থাকে। একজন মানুষ একটি উত্থান রাখতে পারেনা, এই সমস্যা যে কোন বয়সেই হতে পারে।
• ডায়াবেটিস, ছোট রোগ বা লিঙ্গে স্নায়ুর ক্ষতি হতে পারে।
• মস্তিষ্ক বা মেরুদন্ড থেকে স্নায়ু সংকেত লিঙ্গে পৌঁছায় না। কিছু রোগ পেলভিক এলাকায় আঘাত বা সার্জারি লিঙ্গের স্নায়ুর ক্ষতি করতে পারে।
• অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত ওষুধগুলি ইলেকশনে নেতিবাচকভাবে প্রভাব ফেলতে পারে।
মানসিক কারণ :
• বিষণ্ণতা : একজন ব্যক্তি কে লিবিডো কম থাকার কারণে যৌনতার প্রতি আগ্রহীন করে তোলে এবং ইরেক্টাইল ডিসফাংশন হতে পারে।
• দুশ্চিন্তা : প্রচুর পরিমাণে স্ট্রেস, ভয়, টেনশন বা উদ্বেগ ও ইরেক্টাইল ডিসফাংশন হতে পারে।
• যৌন কর্মক্ষমতা নিয়ে চিন্তা : অনেক পুরুষ কর্মক্ষমতা, উদ্বেগ এবং যৌন ব্যর্থতার অনুভূতি ভোগ করে। এর ফলে ইরেক্টাইল ডিসফাংশন হতে পারে।
• সম্পর্কে দ্বন্দ্ব : সঙ্গীর সাথে দুর্বল যোগাযোগ বা যৌন সম্পর্ক অংশীদারদের চাপ ও ইরেক্টাইল ডিসফাংশন কারন হয়ে দাঁড়ায়।
• সামাজিক, সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় দ্বন্দ্ব থেকে চাপ যা ইরেক্টাইল ডিসফাংশনএর কারণ হতে পারে।
ইরেক্টাইল ডিসফাংশন এর লক্ষণ :
ইরেক্টাইল ডিসফাংশন সম্পর্কিত লক্ষণগুলি মধ্যে রয়েছে –
১. সম্পূর্ন ইরেকশন পেতে অক্ষমতা।
২. নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বা নির্দিষ্ট অবস্থার উপর নির্ভর করে ইরেকশন পেতে আংশিক অক্ষমতা।
৩. একটি উত্থান বজায় রাখার জন্য প্রচুর উদ্দীপনা প্রয়োজন ।
৪. যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া।
ইরেক্টাইল ডিসফাংশন এর চিকিৎসা :
পুরুষেরা যৌন সম্পর্কের সময়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে যদি উত্তেজিত না হয় সেক্ষেত্রে এই সমস্যা আপনার আত্মবিশ্বাসকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। এই কারণে আপনাদের সম্পর্কের মধ্যে নানা সমস্যা তৈরি হয়। এই সমস্ত কিছু কঠিন সমস্যা থেকে আপনাকে আমাদের সম্পর্কের মধ্যে নানা সমস্যা তৈরি হয়। এই সমস্ত কিছু কঠিন সমস্যা থেকে আপনাকে আমাদের The Womb Fertility Treatment সাহায্য করবে। এই চিকিৎসা এর মাধ্যমে শরীরের যে জায়গায় এনার্জির প্রয়োজন হয়, ত সম্পুর্ন প্রাকৃতিক উপায়ে পাঠানো হয়। ফলে আপনার শরীরে রক্তনালী মস্তিষ্ক এবং হরমোন একসাথে কাজ করতে পারে। এই চিকিৎসায় কোন রকম ওষুধ বা অপারেশনের প্রয়োজন পড়ে না। পুরোপুরি প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা হয়। এবং এই চিকিৎসা আপনার মানসিক স্বাস্থ্য ও যৌন সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে।


আমার বয়স ৪০এর বেশি |আমি erectile
Dysfunction এ আক্রান্ত |আপনাদের চিকিৎসা আমাকে সাহায্য করবে |
আমি গত ৪ বছর ধরে erectile dysfunction এ ভুগছি এটি কি কারনে হচ্ছে |এই সমস্যার সমাধান কি আপনাদের কাছে আছে