Symptoms of Early Pregnancy

Symptoms of Early Pregnancy :-

মা হওয়ার সুখ এই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সুখ। প্রেগনেন্সির সময় একজন মহিলার শরীরের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন আসে। এই পরিবর্তনগুলি প্রেগনেন্সির প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পায়, যা সকলের জানা উচিত।

⭐ প্রেগনেন্সির প্রাথমিক লক্ষণ গুলি কবে দেখা যায় ?
গর্ভধারণের প্রাথমিক লক্ষণ গুলি গর্ভধারণের এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে দেখা দেয়, কিন্তু পিরিয়ড মিস হওয়ার পরও এগুলি প্রকাশিত হতে পারে। অনেক মহিলার গর্ভধারণের প্রথম মাসে লক্ষণ গুলি দেখা দেয় না, তবে কিছু মহিলার ক্ষেত্রে লক্ষণ গুলি দেখা দেয়।
• সাধারণত গর্ভধারণের ৬-১৪ দিনের মধ্যে গর্ভাবস্থার প্রাথমিক লক্ষণ গুলি দেখা দিতে শুরু করে। তবে কিছু মহিলার ক্ষেত্রে গর্ভধারণের দুই থেকে তিন সপ্তাহ পরো লক্ষণ গুলি দেখা দেয় না।

#গর্ভাবস্থার প্রাথমিক লক্ষণ গুলি :-

* পিরিয়ড মিস : গর্ভাবস্থার সবচেয়ে সাধারণ এবং প্রায় সইল প্রথম লক্ষণ হল পিরিয়ড মিস করা। যৌন সক্রিয় প্রজনন বয়সে অ্যামেনোরিয়া গর্ভাবস্থার একটি শক্তিশালী সূচক, যদিও এটি চাপ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য চিকিৎসা ব্যবস্থার কারণে হতে পারে।

* বমি বমি ভাব এবং বমি (সকালের অসুস্থতা) : সকালের অসুস্থতা প্রায় ৭০-৪০% গর্ভবতী ব্যক্তিকে প্রভাবিত করে এবং সাধারণত গর্ভাবস্থার চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ সপ্তাহের মধ্যে শুরু হয়।। বমি বমি ভাব এবং বমি দিনের যেকোনো সময় হতে পারে, কারণটি সম্পূর্ণরূপে বোঝা যায় না তবে এটি মানব করিওনিক গোনাডোট্রপিন এবং ইস্ট্রোজেনের ক্রমবর্ধমান মাত্রার সাথে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।

* স্তনের পরিবর্তন : হরমোনের পরিবর্তনের কারনে স্তন কোমল ফোলা এবং আরো সংবেদনশীল হয়ে ওঠে, এটি গর্ভাবস্থার একটি লক্ষণ। এর সঙ্গে নিপল এর রং এবং আকারেরও পরিবর্তন দেখা যায়।

* ক্লান্তি এবং দুর্বলতা : প্রেগনেন্সির সময় প্রজেস্টেরন নামে হরমোনের স্তর শরীরে বেড়ে যায়। তার ফলে মহিলাকে ক্লান্তি এবং দুর্বলতা সম্মুখীন হতে হয়।

* বারবার প্রস্রাব করা : গর্ভাবস্থার সময় গর্ভাশয়ের কারণে ব্লাডের অতিরিক্ত চাপ পরে, যার ফলে বারবার প্রস্রাব করতে ইচ্ছা করে। এটি একটি প্রাথমিক লক্ষণ যা ক্রমাগত থাকতে পারে।

* খি‍দের পরিবর্তন : গর্ভাবস্থায় সময় খিদের অনেক উঠানামা হয়। অ সুরক্ষিত যৌন সম্পর্কের পরে বেশি যা কম খিদে পাওয়া প্রেগনেন্সির একটি প্রাথমিক লক্ষণ।

* পেটে ব্যথা বা ফোলা : প্রেগনেন্সির সময় শরীরের কিছু পরিবর্তন হয়। যার ফলে মহিলার পেটে হালকা ব্যথা করকানি বা ফোলা ভাব হতে পারে।

* মুড সুইং : সাধারণত পিডিএড এর সময় মোট সুইং দেখা যায়, তবে অসুরক্ষিত যৌন সম্পর্কের পরে যদি পিরিয়ড মিস হয় এবং হঠাৎ মুড সুইং হয়, তবে এটি প্রেগনেন্সির ইঙ্গিত দেয়।
এইসব ছাড়া বেশ কিছু অন্যান্য লক্ষণ অনুভব করতে পারেন, যেমন –
* স্পটিং
* মাথা ব্যাথা বা মাথা ঘোরা
* গর্ভাবস্থার প্রাথমিক দিনগুলি নাক বন্ধ থাকা
* পেট ফোলা
* ত্বকের পরিবর্তন।
এই লক্ষণগুলি গর্ভাবস্থার সাথে সাথে অন্যান্য সমস্যার দিকে ইঙ্গিত করতে পারে, তাই লক্ষণ গুলি দেখা দিলে প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট দিয়ে টেস্ট করুন বা বিশেষজ্ঞের এর সঙ্গে কথা বলুন।

error: Content is protected !!
Don`t copy text!