
Low sperm naturally treatment :
Low sperm –
কম শুক্রানুর সংখ্যা মানে হল যে অর্গাজমের সময় আপনি যে তরল ( বীর্য) ক্ষরণ করেন,তাতে স্বাভাবিকের চেয়ে কম শুক্রাণু থাকে।কম শুক্রাণুর সংখ্যাকে অলিগোস্পার্মিয়া বলা হয়। আপনার শুক্রানুর সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কম বলে মনে করা হয় যদি আপনার প্রতি মিলিলিটার বীর্য ১৫ মিলিয়নের কম শুক্রাণু থাকে। শুক্রাণুর সংখ্যা যদি কম থাকে তাহলে আপনার সঙ্গীর ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করবে। যার ফলে গর্ভধারণের সম্ভবনা কম হয়ে যাবে।
Low sperm এর লক্ষণ গুলো হল –
শুক্রাণু সংখ্যা কম হওয়ায় প্রধান লক্ষণ হল সন্তান ধারণ করতে না পারা।
১. যৌন ক্রিয়াকলাপের সমস্যা – কম সেক্স ড্রাইভ বা ইরেকশন বজায় রাখতে অসুবিধা।
২. অন্ডকোষ এলাকায় ব্যথা বা ফোলা ভাব।
৩. শরীরের চুল কমে যাওয়া বা মুখের চুল কমে যাওয়া হরমোনের অ্বাভাবিকতার লক্ষণ।
৪. সন্তান ধারণের অসুবিধা।
Low sperm এর কারণ –
অনুমান করা যায় যে স্বাভাবিক শুক্রানুর উৎপাদন প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১০০০ শুক্রাণু উৎপাদন করতে পারে। প্রতিদিন ৪৬ মিলিয়নের বেশি। এখানে কিছু কারণ রয়েছে যা শুক্রাণুর উৎপাদন হ্রাস করতে পারে।
১.তাপ স্বাভাবিক উৎপাদনের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। অন্ডকোষের রক্ত প্রবাহে বাধার কারণে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে অসুবিধা হয় যা শুক্রাণু উৎপাদনে নয় যার ফলে শুক্রানুর সংখ্যা কম হয়।
২. বীর্যপাতের সমস্যা – যখন বীর্য লিঙ্গ দিয়ে বের হওয়ার পরিবর্তে মূত্রাশয় এ প্রবেশ করে তখন তাকে রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশন বলে। রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশন এর বিভিন্ন কারন রয়েছে যেমন ডায়াবেটিস, মূত্রাশয়ে অস্ত্রপ্রচার, ওষুধ ইত্যাদি। মেরুদণ্ডে আঘাত বা অন্যান্য রোগে আক্রান্ত কিছু পুরুষ বীর্যপাত করতে পারেনা।যদিও তারা এখনও শুক্রাণু তৈরি করে। এই ধরনের ক্ষেত্রে শুক্রাণু পুনরুদ্ধার করা যেতে পারে এবং সাহায্যকারী প্রজননের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
৩. হরমোনের ভারসাম্যহীনতা – হাইপোথ্যালামাস, পিটুইটারি থাইরয়েড এবং অ্যাড্রিনাল গ্রন্থিকে প্রভাবিত করে এমন কোনো হরমোনের অস্বাভাবিকতা বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে।
৪. ওষুধ – কিছু ওষুধ শুক্রাণু উৎপাদনকে হ্রাস করতে পারে। সেগুলি মধ্যে স্টেরয়েড দীর্ঘদিন ব্যবহার, কেমোথেরাপি এবং নির্দিষ্ট কিছু অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ।
৫. লাইফস্টাইল – যে সব পুরুষ অ্যালকোহল বা তামাক সেবন করেন তাদের ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বা শুক্রাণু উৎপাদন কমে যেতে পারে। মানসিক চাপ, স্থূলতার মতো বিভিন্ন কারণে বন্ধ্যাত্ব হতে পারে।
Naturally treatment:
একটি ভ্রুনের জন্য একটি শুক্রানু ও ডিম্বাণু যথেষ্ট।কিন্তু পুরুষদের বীর্যরসে শুক্রানুর সংখ্যা প্রতি মিলি মিটারে ১৬ মিলিয়ন কম হলে তা প্রজননে অক্ষমতার কারন হয়ে দাঁড়ায়।সাধারণভাবে প্রতি মিলিমিটার বীর্য রসে ৪০-৩০০ মিলিয়ন শুক্রাণু থাকে। তবে কম করে ২০ মিলিয়ন শুক্রানু থাকলেই সন্তান লাভ করা সম্ভব। পিটুইটারি গ্রন্থি ও শুক্রাশয় নিঃসৃত কিছু হরমোনের মাত্রা জানার জন্য রক্ত পরীক্ষা করানো হয়। শুক্রাণু মূত্রথলিতে চলে যাচ্ছে কি বোঝার জন্য ইউরিন্যালাইসিস করানো হয়। জিনগত সমস্যা নির্ধারণের জন্য রক্ত পরীক্ষা করা হয় বা শুক্রবাহী নালীতে কোন ব্লকেজ আছে কিনা জানতে অ্যালট্রাসাউন্ড করা হয়।
তাই সমস্ত কিছু কঠিন সমস্যা থেকে আপনাকে বার করে আনতে সাহায্য করবে আমাদের The Womb Fertility Treatment, এটি একটি প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা হয়। এই চিকিৎসা এখনো কোনো ওষুধ, পরীক্ষা বা অপারেশন এর প্রয়োজন পড়ে না। এই চিকিৎসার মাধ্যমে শরীরের যে জায়গায় এনার্জির প্রয়োজন হয়, তা শিরা উপশিরা দিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, এবং এতে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া শরীরে পড়বেনা। এই চিকিৎসার ফলে আপনি তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে গর্ভধারন করতে পারেন এবং একটি সুস্থ ও সুন্দর বাচ্চা জন্ম দিতে পারেন।

