Chlamydia

Chlamydia :-

ক্ল্যামিডিয়া হল একটি সাধারণ যৌনবাহিত সংক্রমণ (STI) যা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট। ক্ল্যামিডিয়া সংক্রমণের চিকিৎসা করা যায় এবং নিরাময় করা যায়। তবে, এর লক্ষণগুলি প্রায়শই অলক্ষিত থাকে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ক্ল্যামিডিয়ার চিকিৎসা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসা না করা হলে, ক্ল্যামিডিয়া গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে এবং প্রজনন অঙ্গের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।

⭐ ক্ল্যামিডিয়া কীভাবে ছড়ায়?
একবার ক্ল্যামিডিয়া আক্রান্ত হলে, তারা যৌন মিলন, পায়ুপথে যৌন মিলন বা মৌখিক যৌন মিলনের মাধ্যমে এটি তাদের সঙ্গীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারে। ক্ল্যামিডিয়া আক্রান্ত ব্যক্তি যখন তাদের সঙ্গীদের সাথে যৌন খেলনা ভাগ করে তখনও সংক্রমণ ঘটতে পারে।

⭐ কারণ :- ক্ল্যামাইডিয়া সংক্রমণ যৌন সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যখন যোনিপথের তরল বা বীর্য যা ক্ল্যামাইডিয়া সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধারণ করে তা একজন ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ভ্রমণ করে। যৌন সংস্পর্শে সকল ধরণের যৌনতা অন্তর্ভুক্ত, যার মধ্যে এমন যৌনতাও অন্তর্ভুক্ত যেখানে অনুপ্রবেশ বা বীর্যপাত জড়িত নয়। একজন ব্যক্তির যৌনাঙ্গ থেকে তরল ক্ল্যামাইডিয়া সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া প্রেরণ করতে পারে এমন অনেক উপায় রয়েছে:
* সহবাস –  ব্যাকটেরিয়া একজন ব্যক্তির লিঙ্গ থেকে তার সঙ্গীর যোনিতে বা বিপরীতভাবে প্রবেশ করে।পায়ুপথে যৌন মিলন। ব্যাকটেরিয়া একজন ব্যক্তির লিঙ্গ থেকে তার সঙ্গীর মলদ্বারে বা বিপরীতভাবে প্রবেশ করে।
* ওরাল সেক্স – ব্যাকটেরিয়া একজন ব্যক্তির মুখ থেকে তার সঙ্গীর লিঙ্গ, যোনি বা মলদ্বারে প্রবেশ করে, অথবা বিপরীতভাবেও।
* খেলনা ব্যবহার করে যৌনমিলন খেলনা থেকে ব্যাকটেরিয়া একজন ব্যক্তির মুখ, লিঙ্গ, যোনি বা মলদ্বারে প্রবেশ করে।
* যৌনাঙ্গ বা মলদ্বারের ম্যানুয়াল উদ্দীপনা – খুব কম ক্ষেত্রেই, সংক্রামিত যোনি তরল বা বীর্য একজন ব্যক্তির চোখের সংস্পর্শে আসতে পারে, যার ফলে কনজাংটিভাইটিস (গোলাপী চোখ) নামক সংক্রমণ হতে পারে।

⭐ লক্ষণ :

#মহিলাদের মধ্যে সাধারণ লক্ষণ –
* অস্বাভাবিক যোনি স্রাব (সাদা, হলুদ, ধূসর)।
* প্রস্রাব করার সময় ব্যথা বা জ্বালাপোড়া।
* মাসিকের মাঝামাঝি অথবা যৌন মিলনের পরে রক্তপাত।
* তলপেট বা শ্রোণী অঞ্চলে ব্যথা।
* যৌন মিলনের সময় ব্যথা।

# পুরুষদের মধ্যে সাধারণ লক্ষণ –
* লিঙ্গ থেকে স্রাব (স্বচ্ছ বা দুধের মতো)।
* প্রস্রাব করার সময় জ্বালাপোড়া।
* এক বা উভয় অণ্ডকোষে ব্যথা, ফোলাভাব, বা কোমলতা ( এপিডিডাইমাইটিস )।
০ মলদ্বারের লক্ষণ (যে কারোর ক্ষেত্রে) –
* মলদ্বারে ব্যথা, স্রাব, বা রক্তপাত।

⭐ ফার্টিলিটির উপর প্রভাব :-
# মহিলাদের উপর প্রভাব –
* পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ (PID) : ক্ল্যামিডিয়া একটি প্রধান কারণ, যা প্রজনন অঙ্গের প্রদাহের দিকে পরিচালিত করে।
* টিউবাল ফ্যাক্টর বন্ধ্যাত্ব : পিআইডি ফ্যালোপিয়ান টিউবে দাগ এবং বাধা সৃষ্টি করে, যার ফলে শুক্রাণু ডিম্বাণুতে পৌঁছাতে পারে না বা নিষিক্ত ডিম্বাণু জরায়ুতে পৌঁছাতে পারে না।
* একটোপিক প্রেগন্যান্সি : ক্ষতিগ্রস্ত টিউব জরায়ুর বাইরে গর্ভাবস্থা স্থাপনের ঝুঁকি বাড়ায়।
* দীর্ঘস্থায়ী পেলভিক ব্যথা: প্রদাহের ফলে পেট এবং পেলভিসে ক্রমাগত ব্যথা হতে পারে।

# পুরুষদের উপর প্রভাব –
* এপিডিডাইমাইটিস : অণ্ডকোষের পিছনের নলের সংক্রমণ, যার ফলে ব্যথা এবং ফোলাভাব হয়।
* শুক্রাণুর গুণমান : শুক্রাণুর সরাসরি ক্ষতি করতে পারে, গতিশীলতা (নড়াচড়া) প্রভাবিত করে এবং ডিএনএ খণ্ডিতকরণ বৃদ্ধি করে।
* বীর্যের পরামিতি : বীর্যের গুণমান নষ্ট করতে পারে এবং বীর্যপাতের নালীতে দাগ সৃষ্টি করতে পারে।
এই ধরনের যে কোনো সমস্যার সমাধানের জন্য যোগাযোগ করুন The Womb Fertility Treatment এ। সম্পূর্ণ ন্যাচারাল পদ্ধতিতে, কোনো ওষুধ ইনজেকশন ছাড়াই চিকিৎসা করা হয়। রেজাল্ট পাবেন 3 – 6 মাসে।

 

error: Content is protected !!
Don`t copy text!