গর্ভাবস্থার পরবর্তী মানসিক স্বাস্থ্য

গর্ভাবস্থায় সুখ এবং উত্তেজনা একটি সময় বলে মনে করা হয়।কিন্তু আপনি যদি সেভাবে অনুভব না করেন আপনি যদি বিষণ্ণ এবং উদ্বিগ্ন ভোগ করেন বা মেজাজের সুইং করেন, জেনে রাখুন যে আপনি একা নন অনেক মহিলা তাদের গর্ভধারনের মাধ্যমে এবং তাদের বাচ্চাদের জন্মের পরে বিষণ্ণ এবং উদ্বিগ্ন বোধ করেন।অতএব যদি আপনি আপনার জীবনের সবচেয়ে সুখী সময় হলে মনে করা হয় এমন সময় অসন্তুষ্টবোধ করেন তবে আপনার দোষী বা অকৃতজ্ঞ বোধ করা উচিত নয়, এটি গর্ভাবস্থার শুরুতে হতে পারে এবং শিশু জন্মের অনেক সপ্তাহ পরেও হতে পারে।

একজন মহিলা মা হতে চলেছেন বা নতুন মায়ের স্বাভাবিক উদ্বেগগুলি হল

১. আমি কি একজন ভালো মা হতে পারব।

২. আমি খুব ক্লান্ত, সবসময় কেন এত কাজ দিলেন এত কম খুশি থাকি।

৩. আমার বাচ্চা যদি স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা থাকে।

৪. বাচ্চা জন্ম দেওয়ার সময় যদি আমার কিছু হয়ে যায়।

আপনার চিকিৎসা সহায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত যদি আপনাকে এই রকম লক্ষণগুলি থাকে :

১. আপনি  বারবার অজ্ঞান হয়ে পড়ছেন বা অবশ বোধ করছেন।

২. আপনার নিজেকে অসহায় বা মূল্যহীন মনে হচ্ছে।

৩. কোন কারন ছাড়াই আপনার কান্না পাচ্ছে, আপনি আবেগপ্রবণ, রাগান্বিত, খিটখিটে বা বিরক্ত বোধ করছেন।

৪. আপনি ঘুমোতে পারছেন না।

৫. আপনি খাচ্ছেন না বা খেলে বেশি খাচ্ছেন।

৬. আপনার শক্তির অভাব রয়েছে মনোযোগ দিতে বা সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না।

৭. আপনি নিজেকে ক্ষতি করতে পারেন অথবা আপনার জন্য শিশুর ক্ষতি হতে পারে বলে মনে হয়।

৮. আপনি এমন কিছু দেখেন বা শুনেন যা অন্যরা দেখতে বা শুনতে পায় না।

আপনার ডাক্তারের সাহায্য ছাড়াই আপনি কিভাবে নিজেকে সাহায্য করতে পারবেন

১.সুষম খাবার খান গর্ভ অবস্থায় এবং স্তন্যপানের সময় নিউরোট্রান্সমিটার তৈরি করার ক্ষেত্রে যে পুষ্টিকর প্রয়োজন হয়, সেই পুষ্টি ই ব্যবহার করা হয়, বিশেষ করে আয়রন ফোলেট, জিঙ্ক , সেলেনিয়াম, ফ্যাট ও ফ্যাটি এসিডের ঘাটতির কারণে মেজাজ খারাপ হতে পারে।

২. ভালো করে ঘুমান ।

৩..এমন কিছু করুন যা আপনি করতে ভালোবাসেন।

৪. ম্যাসাজ নিন।

৫. ব্যায়াম ও ধ্যান করুন।

৬. কারোর সাথে কথা বলুন  এবং সাহায্যের জন্য জিজ্ঞেস করুন।

দুঃখিত থাকার জন্য নিজেকে কখনোই দোষারোপ করবেন না আপনি খুশি নন কিন্তু আপনি খুশি হওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন এই প্রচেষ্টার জন্য আপনাকে সম্মান করা উচিত।

error: Content is protected !!
Don`t copy text!