Miscarriage

Miscarriage:

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শিশু পরিপূর্ণ হয়ে ওঠার আগেই মিসক্যারেজ বা গর্ভপাত হয়ে যাওয়া বিশ্বে খুব সাধারণ একটি ঘটনা হয়ে উঠেছে। প্রতি ১০০ জন গর্ভবতী নারীর মধ্যে ১০-১৫ শতাংশ ক্ষেত্রে গর্ভপাতের ঘটনা ঘটে।
গর্ভধারণের প্রথম ২৮ সপ্তাহের মধ্যে যদি কোন শিশুর মৃত্যু হয়, তাকেই মিসক্যারেজ বা গর্ভপাত বলা হয়ে থাকে। প্রতি ৪টি গর্ভপাতের তিনটি এরকম সময়ে হয়ে থাকে। অনেকের ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়েও গর্ভপাত হতে পারে।প্রতি বছর গর্ভধারণের ৮-১০ সপ্তাহের মধ্যে অন্তত ২ কোটি শিশুর এভাবে মৃত্যু হয়।অনেক সময় অসুস্থতা, খাবার বা অন্যান্য কারণে আপনাআপনি নারীদের গর্ভপাত হয়ে যায়।

কেন মিসক্যারেজ হয় –

অনেকগুলো কারণেই মিসক্যারেজ হতে পারে।আবার অনেক সময় বাচ্চা নষ্ট হয়ে গেলেও কারণটা বুঝতে পারা যায় না।
তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যে সমস্ত কারণে  মিসক্যারেজ হয় সেগুলি হল :

  • বাচ্চার জন্মগত ক্রুটি-যেমন গর্ভধারণের সময় যদি ভ্রূণ অনেক বেশি অথবা কম ক্রোমোজোম  পাওয়া যায়, তখন ভ্রন ঠিকমতো তৈরি হয় না। ফলে গর্ভপাত হতে পারে। আবার গর্ভফুল নামের যে অঙ্গের মাধ্যমে মায়ের শরীর থেকে বাচ্চার শরীরে রক্ত সরবরাহ হয়, সেটি গঠনে কোন  ভুল থাকলে গর্ভপাত হতে পারে।
  • মায়ের যদি কোন রোগ থাকে, যেমন ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেশার, কিডনির সমস্যা। সেই সঙ্গে থাইরয়েড গ্লান্ড এর সমস্যা থাকলে এই রকম হতে পারে।
  • মায়ের ইনফেকশন যেমন, রুবেলা, এইচআইভি,  সিফিলিস, ম্যালেরিয়া ইত্যাদি সংক্রমণের কারণে গর্ভে পানি ভাঙ্গতে শুরু করে।
  • মায়ের বয়স যদি ৩৫-৩৯ বছরের মধ্যে থাকে, তাহলে প্রতি ১০ জনের মধ্যে দুইজনের মিসক্যারেজ সম্ভাবনা থাকে।
  • আবার ৪৫ বছরের বেশি বয়স হলে গর্ভপাতের আশঙ্কা থাকে।
  • হরমোনের সমস্যা ।
  • মা পরিশ্রম বা অতিরিক্ত ভ্রমণ করলে এটি ঘটতে পারে।
  • সিগারেট, মদ্যপান বা মাদক নেয়া বা প্রচুর ক্যাফেইন গ্রহণ করলে এই ধরনের সমস্যা হয়।
  • ডিম্বাশয়ের আকার স্বাভাবিকের চেয়ে বড় থাকা।
  • যেখানে জরায়ু আকারে ছোট থাকে সেখানে বাচ্চা হতে পারে না।
  • জরায়ুর মুখ খুলে গেলে গর্ভপাত হয়।
  • বিষাক্ত কিছু খাবার ও ওষুধ খেলে।
  • অতিরিক্ত ওজনের ফলে গর্ভপাত হয়।

গর্ভপাতের ফলে শারীরিক কি effect হতে পারে –
প্রচন্ড রক্তপাত – কখনও প্রচন্ড রক্তপাত ঘটে এবং জরায়ুর আবরণ সংকুচিত হয়।
আপনার শ্রোণী দেশগত এলাকায় খিঁচুনি যা গর্ভপাতের পর অনুভূত হয়।
গর্ভপাতের পর বেশ কয়েকদিন কর্ভিক্স হালকা খোলা থাকে। এতে সংক্রমণ হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে।
গর্ভপাতের পর যদি ২-৩ দিন ধরে জ্বর হয়, তাহলে বুঝতে হবে শরীরে কোনোভাবে সংক্রমণ রয়েছে।
গর্ভপাত করানোর পর মহিলারা পিঠে ব্যাথা, অবসাদ, হতাশা এবং দুশ্চিন্তায় ভুগতে থাকেন।তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সঠিক দেখাশোনা অত্যন্ত জরুরি।

পরবর্তী শরীরে মানসিক effect –
গর্ভপাত খুবই দুঃখজনক ঘটনা এবং এটি আপনার ও আপনার সঙ্গীর উপর মানসিকভাবে বিশাল প্রভাব ফেলতে পারে।উদ্বেগ , মনখারাপ ও কিছু হারিয়ে ফেলার কষ্ট এবং একটি সন্তানকে হারানোর কষ্ট যেন আপনার ভবিষ্যতে কোনো প্রভাব না ফেলে, আপনি মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ থাকুন এবং কোন শারীরিক সমস্যা হলে চিকিৎসাকে পরামর্শ নিন।
স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন ।
দুশ্চিন্তা দূর করার চেষ্টা করুন। গর্ভপাত করানোর পর মহিলার পিঠে ব্যথা রক্তাল্পতা হতাশা ইত্যাদি দুশ্চিন্তায় ভুগতে থাকেন।
ভুলেও  জাঙ্ক ফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার খাবেন না, ভিটামিন ডি আয়রন ও ক্যালসিয়াম গ্রহণ করতে পারেন।
গর্ভপাতের পথ দূরে কোথাও যাবেন না।
ভারী কাজ করা যাবেনা। এমনকি কাঁচা বাসন মাজা জলের বালতি তোলা এসব কাজ করা বন্ধ রাখতে হবে।
গর্ভপাতের পর 8 ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি।

এই সমস্ত কিছু নিয়ে আপনাদের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই গর্ভপাতের কিছু মাস পর আপনি গর্ভধারণ করতে পারেন, আপনার যদি বহুবার গর্ভপাত হয় সেক্ষেত্রে The Womb Fertility Treatment এর সাহায্যে আপনি উপকৃত হবেন এবং অনেক মহিলা এই চিকিৎসা নিয়ে এখান থেকে বেরিয়েছে। এটি একটি প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা হয়। কোন প্রকার ওষুধ ছাড়াই চিকিৎসা করা হয় এই চিকিৎসায় কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পড়বে না ।এবং The Womb Fertility Treatment এর সাহায্যে আপনি কয়েক মাস পরে পুরোপুরি সুস্থভাবে গর্ভধারণ করতে পারবেন, এটি আপনার স্বপ্ন পূরণ করবে।

error: Content is protected !!
Don`t copy text!