কীভাবে হস্তমৈথুনের অতিরিক্ত অভ্যাস সন্তানহীনতার কারণ হতে পারে :
অতিরিক্ত হস্তমৈথুন কাকে বলে –
হস্তমৈথুন বা স্বমেহন হল একধরনের কামদ্দোক প্রক্রিয়া।সুখদায়ক এই কাজটিতে অনেক সময় আসক্ত হয়ে পরে লোকজন ।এর পিছনে অন্যতম কারণ হল, হস্তমৈথুন এর সময় মস্তিষ্কে ডোপামাইন ও এন্ডোরফিনের মতো ফিল গুড কেমিক্যালস নিঃসৃত হয় যা মন ভালো করে দেয়, অবসাদ-দুশ্চিন্তার মতো মানসিক সমস্যা গুলি অনেকাংশে দূর করে । এই ফিল গুড কেমিক্যালসগুলো ব্রেন কে বারবার উদ্দীপনামূলক কাজ টি করার জন্য উস্কাতে থাকে।যার ফলে হস্তমৈথুনে আসক্তি তৈরি হতে পারে। দিনের অধিকাংশ সময় হস্তমৈথুন ও এই সংক্রান্ত ভাবনায় কেউ নিয়োজিত থাকলে সেটা অতিরিক্ত হয়ে যাচ্ছে বলা চলে।অনেকসময় এই অভ্যাস এতোটাই গ্রাস করে ফেলে যে কোনো ভাবনা চিন্তা ছাড়াই হস্তমৈথুন করতে থাকে আসক্ত মানুষটি। এরফলে সমাজে, কর্মক্ষেত্রে তাকে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় ।সুস্থ সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায় বা গড়ে ওঠে না।এমনকি পরবর্তীকালে সন্তানহীনতার মতো সমস্যা ও আসতে পারে ।

অতিরিক্ত হস্তমৈথুন এর ফলে এই সমস্যা গুলি হতে পারে –
- ব্রেনে অতি উদ্দীপনা
- এন্ডরফিন ও ডোপামাইন এর উপর অতিনির্ভরতা।
- যৌনাঙ্গে নমনীয়তা ও ফোলা ভাব।
- যৌনাঙ্গে সংবেদনশীলতা কমে যাওয়া।
- অপরাধবোধ ও লজ্জা।
- আত্মবিশ্বাসের অভাব।
- ধৈর্য ও মনোনিবেশ কমে যাওয়া।
- পর্ন ছবির দেখায় আসক্তি।
- অসামাজিক ব্যাবহার।
- সমাজে মিশতে না পারা, সুস্থ সম্পর্ক নষ্ট করে ফেলা।
অতিরিক্ত হস্তমৈথুন ও সন্তানহীনতা :
সন্তানহীনতার সঙ্গে অতিরিক্ত হস্তমৈথুন সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। তবে হস্তমৈথুন এর সঙ্গে জড়িত কয়েকটি শারীরবৃত্তীয় ও মানসিক অবস্থা সন্তানহীনতার সমস্যার দিকে ঠেলে দিতে পারে।
পুরুষদের বাবা হতে না পারার পিছনে হস্তমৈথুন এর কোনও প্রভাব এখন ও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।বরং স্বাভাবিক যৌনক্রিয়ার মতো হস্তমৈথুন এও পুরানো শুক্রাণু বেরিয়ে যাওয়ার ফলে নতুন সুস্থ শুক্রাণু উৎপাদন বাড়ে। যার ফলে পুরুষের শুক্রানুর মান ও সংখ্যা বাড়ে বলে সাম্প্রতিক কিছু সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে। হস্তমৈথুন এর জেরে শুক্রানুর ঘনত্ব ও গতিশীলতা বাড়ার স্বপক্ষে প্রমাণ ও দেখিয়েছে।সাধারণ ভাবে বলা যায়, একজন পুরুষ মানুষ ২-৩ দিন বীর্যক্ষরণ না করলে তারপর বীর্যে সবচেয়ে ভালো মানের শুক্রাণু পাওয়া যায়।তাই সন্তানের জন্ম যখন লক্ষ, তখন সঙ্গমের ২-৩ দিন আগে হস্তমৈথুন বন্ধ রাখলেই ভালো।
এবার আসি অতিরিক্ত হস্তমৈথুন-এর ক্ষতিকারক দিক প্রসঙ্গে, অতিরিক্ত অর্থাৎ দিন একাধিকবার হস্তমৈথুন করলে তার খারাপ প্রভাব পড়ে সন্তান সৃষ্টির প্রক্রিয়ায়, বিশেষ করে দিনে একাধিকবার হস্তমৈথুন যদি একইভাবে বহুদিন চলতে থাকে, সারারণ ভাবে একজন পুরুষের দেহ প্রতি সেকেন্ডে দেড় হাজারের মতো শুক্রাণু তৈরি করে এবং প্রতি বার বীর্যক্ষরণ এ মোটামুটি ৩০০ মিলিয়ন শুক্রাণু বেরিয়ে যায়। অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করলে শুক্রাণু উৎপাদনের চেয়ে শরীর থেকে বেশি পরিমাণে শুক্রাণু বেরিয়ে যায়।
এছাড়া যারা হস্তমৈথুন-এর জন্য সেক্সটয় ব্যাবহার করে, তাদের ক্ষেত্রে এর আর একটা খারাপ প্রভাব রয়েছে। কম দামী সেক্সটয় গুলি নিম্ন মানের উপাদান দিয়ে তৈরি হয়।এক্ষেত্রে ক্ষতিকর রাসায়নিকের সংস্পর্শে শুক্রানুর উৎপাদন কমে যায় ও নিম্নমানের হয়। সেক্সটয় এমন কিছু রাসায়নিক ও থাকে যা থেকে হরমোনের ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়, ক্যান্সারের সম্ভবনা থাকে। এছাড়া অতিরিক্ত হস্তমৈথুন-এর সঙ্গে জড়িত মানসিক সমস্যাগুলি সরাসরি লিঙ্গ উত্থাপন, সঙ্গমের ক্ষমতা ও বীর্যপাতের প্রভাব ফেলে। হস্তমৈথুন-এ আসক্ত ব্যাক্তির দাম্পত্য জীবনে সমস্যা তৈরি হতে পারে, যার প্রভাব পড়ে সন্তান ধারণে।


কখন হস্তমৈথুন করার সঠিক সময় please আমরা আপনাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাই ।
হস্তমৈথুনের কারণে কী কী হতে পারে । এ ব্যাপারে কিছু জানতে চাই আপনাদের থেকে , যদি আপনাদের ঠিকানাটা একটু বলেন ।
বেশ কিছুদিন ধরে আমার স্বামীর মধ্যে কিছু সমস্যা দেখতে পাচ্ছি , যেমন খুব বেশি চিন্তা করছে , ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলছে , কারোর সাথে কিছু কথা বলছে এ । এই সমস্ত কিছু কী কারণে হচ্ছে , আপনারা যদি আমাকে কিছু এই বিষয়ে বলতেন ।
হস্তমৈথুনের কারণে কী আমি বাবা হতে পারছিনা । এ বিষয়ে কী ভাবে আমি সাহায্য পাব ।
অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে সন্তান না হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায় ।